ব’রখাস্ত ওসি প্রদীপকে বাড়তি খাতির!

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা রাশেদ হ’ত্যা মা’মলার আ’সামি ব’রখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। তারপরও তাকে গ্রে’প্তার না দেখিয়ে চট্টগ্রাম থেকে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তায় কক্সবাজার আদালতে নিয়ে যাওয়া নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা হ’ত্যা মা’মলার আ’সামি ব’রখাস্ত ওসি প্রদীপকে চট্টগ্রাম থেকে বিশেষ নি’রাপত্তায় কক্সবাজার আদালতে নিয়ে যায় পুলিশ। কক্সবাজার আদালতে তোলার সময় তার হাতে ছিলো না ক’ড়া।

হ’ত্যা মা’মলার আ’সামি হলেও তাকে গ্রে’প্তার না দেখিয়ে গোপনে পুলিশ লাইন হাসপাতাল থেকে হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। যদিও এ বিষয়ে ক্যামেরায় কথা বলতে রাজি হননি সিএমপি উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) শ্যামল কুমার নাথ বলেন, ‘তাকে আমরা অ্যা’রেস্ট করিনি। অ্যা’রেস্ট তদন্তকারী সংস্থা করে। আ’ত্মসমর্পণ পত্র-পত্রিকায় বলেছে তারা। এগুলো পুরনো ইস্যু।’

আইনজীবীররা বলছেন, হ’ত্যা মা’মলার আ’সামিকে বিশেষ সুযোগ দেয়ার কোনে অবকাশ নেই। পুলিশের উচিত ছিলো তাকে আগে গ্রে’প্তার দেখিয়ে তারপর আদালতে সো’পর্দ করা। অন্য আ’সামিদের ক্ষেত্রে যে আচরণ করা হয়, প্রদীপের ক্ষেত্রে পুলিশের আচরণ ছিলো আলাদা।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এএইচএম জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘পুলিশ কিন্তু তাকে হেফাজতে নিয়েছে, গ্রে’প্তার করেনি। তাকে গ্রে’প্তার করা উচিত ছিলো। তাকে স্পেশাল ট্রিট করার কোন সুযোগ নেই। আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান।’

চা’ঞ্চল্যকর মা’মলার আ’সামি হওয়ার পরও প্রদীপকে কেনো এই সুযোগ দেয়া হয়েছে তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। চট্টগ্রাম টিআইবি’র সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আকতার কবীর চৌধুরী বলেন, ‘মা’মলার আ’সামি হওয়া সত্বেও তাকে গ্রে’প্তার না করে ভিআইপি মর্যাদায় চট্টগ্রাম থেকে নেয়া হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন কর্তৃপক্ষের একাংশের এহেন আচরণ দেশের নাগরিকরা নিতে পারছেনা।’

অভিযোগ আছে- রে’ঞ্জ ডিআইজি, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ও সিএমপির উর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তার প্রশ্রয়ে বে’পরোয়া হয়ে ওঠেন প্রদীপ কুমার দাশ। অ’দৃশ্য শক্তির জো’রে ঘুরেফিরেই শুধু চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন থানাতেই চাকরি করতেন বির্তকিত এই ওসি।