৯ম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী’কে ধ’র্ষণ করে সেই ভিডিও ফেসবুকে

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ৯ম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অ’ভিযোগে

সিরাজুল ইসলাম নামে এক যুবকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। তার বি’রুদ্ধে প’র্নগ্রাফি আইনে মা’মলা হওয়ায় আজ শনিবার তাকে জে’ল-হাজতে প্রে’রণ করেছে আদালত।

গ্রে’প্তার হওয়া সিরাজুল ইসলাম দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের লক্ষণপুর পাঠকপাড়া গ্রামের মো. আফজাল মন্ডলের ছে’লে।

সিরাজুল ইসলাম পেশায় একজন মুদি দোকানদার।শনিবার ফেসবুকে ধ’র্ষণের ভিডিও এবং স্থির ছবি ছড়িয়ে দেয়ার কারণে ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে ফুলবাড়ী

থানায় সিরাজুল ইসলামের বি’রুদ্ধে মা’মলা দায়ের করে। পরে পুলিশ সিরাজুল ইসলামকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রে’ফতার করে। দুপুরেই আদালতে প্রেরণ করা

হলে সিরাজুল ইসলামকে আদালত জেল-হাজতে প্রে’রণের নির্দেশ দেন।মা’মলার এজাহারে প্রাপ্ত বিবরণীতে জানা গেছে, সিরাজুল ইসলাম নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করার ভিডিও

এবং স্থির চিত্র ধারণ করে। পরে আবার ধ’র্ষণ করার ভ’য় দেখিয়ে ভিডিওটি ফেসবুকে ছেড়ে দিয়ে ভাইরাল করার ভ’য় দেখায়। মে’য়েটিকে পরে ধ’র্ষণ করতে না পেরে সিরাজুল ইসলাম ভিডিওটি ফেসবুকে ছেড়ে দেয়।

পুলিশ জানায়, সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে লক্ষণপুর পাঠকপাড়ার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাড়িতে যায় সিরাজুল ইসলাম। এ সময় ওই বাড়িতে কেউ না থাকায় এ’কা পেয়ে কৌশলে ধ’ষর্ণ করে মে’য়েটিকে।

ধ’র্ষণ করার সময় কৌশলে ভিডিও ধারণ করেন তিনি। ওই ভিডিও দেখিয়ে সিরাজুল ইসলাম দ্বিতীয়বার ধ’র্ষণ করে। পরে তৃতীয়বার আবারও ধ’র্ষণ করার চেষ্টা করলে মে’য়েটি অ’স্বীকৃতি জানালে সিরাজুল ইসলাম ভ’য় দেখিয়ে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হু’মকি দেয়।

পরে সিরাজুল ইসলাম ধ’র্ষণের ভিডিওটি ফেসবুকে প্রচার করে। ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসুবকে ছড়িয়ে পড়লে ওই ছাত্রীর পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। পরে বিষয়টি গত শুক্রবার রাতেই পুলিশকে অবগত করেন ওই শিক্ষার্থীর পরিবার। শনিবার সকালে থানায় মা’মলা দায়ের করলে আ’সামি সিরাজুলকে গ্রে’প্তার করেে পুলিশ।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শনিবার গ্রেপ্তার সিরাজুল ইসলামকে আইনের মাধ্যমে কোর্টে প্রেরণ করা হয়। বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন। ভি’কটিমকে পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চা’ঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।