উ’ত্ত্যক্তকারী যুবককে পুলিশের হাত থেকে ছা’ড়িয়ে দিলেন খালেদা আক্তার কল্পনা

বাংলাদেশের ছোট পর্দার এবং বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা।অসাধারণ অভিনয় নৈপুণ্য

দিয়ে তিনি হাজারো ভক্তের মন কে’ড়ে নিয়েছেন তিনি বাংলা সিনেমা জগতে রয়েছেন বহুদিন ধ’রে এবং অসংখ্য সিনেমা তিনি করেছেন তবে দীর্ঘ বছর ধ’রে

সিনেমা জগতে থাকে থাকতে বর্তমানে এই অভিনেত্রী শারীরিক অনেক অসুস্থতায় ভুগছেন এবং রয়েছেন আর্থিক সংকটে ও এখন আর আগের মত তিনি কাজ

পাচ্ছেন না বলেও অনেক সময় আক্ষেপ করেছেন ১২ জুন মোবাইলে অশালীন মন্তব্য, বিব্রত প্রবীণ অভিনেত্রী’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়।

সেই খবরে বলা হয়, প্রবীণ অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনাকে রাতবিরাতে ফোন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অ’শালীন কথা বলে আসছিলেন একজন অজ্ঞাত

ব্যক্তি। সম্প্রতি সেই ব্যক্তি গ্রে’প্তার হন। তাঁর নামে কোনো মা’মলা না করে মানবিক জায়গা থেকে তাঁকে ক্ষ’মা করেন এই প্রবীণ অভিনেত্রী।

এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা বলেন, নিউজ হবার দুই–এক দিন পরই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের লোকজন ধরেছে।

ডিবি থেকে আমাকে থানায় গিয়ে মামলার কথা বলা হয়েছিল। আমি চেয়েছিলাম যাব কিন্তু করোনার জন্য বের হচ্ছি না।

ওই সময়ের মধ্যেই লোকটি আমার কাছে ফোন দিয়ে অনেক কাকুতি–মিনতি করে মাফ চায়। তার ভুলের কথা স্বীকার করে। সে নাকি আমাকে চেনে না।

ক্ষমা চাইতেছিল, জীবনে আর কখনো এমন কাজ সে করবে না। এই সময় সে তার বৃদ্ধ বাবা, স্ত্রী, দুই–তিনটা সন্তানের কথা বলে বারবার ক্ষমা চায়। আমি মামলা করতে চেয়েছিলাম, পরে লোকটির পরিবারের মানুষদের কথা ভেবে মাফ করে দিয়েছি।’ এই সময় তিনি আরও বলেন, ’মধ্যবয়সী এই লোকটির বাড়ি কুমিল্লা। শুনেছি সে একটি মেডিকেলের কর্মচারী। কথা দিয়েছে ভালো হয়ে যাবে। আর কাউকে কখনো এভাবে অশালীন কোনো কথা বলবে না। কেউ পরিবারের কথা বলে ক্ষমা চাইলে মানবিক জায়গা থেকে মাফ করা ছাড়া উপায় থাকে না।’

জুন মাসের ১২ তারিখের সেই খবরে বলা হয়, নাম–পরিচয়হীন এই ব্যক্তি বেশ কটি মুঠোফোন নম্বর থেকে ফোন দিয়ে এই অভিনেত্রীকে অশালীন কথাবার্তা বলেন। নম্বর কালোতালিকায় দিলেও থেমে থাকেনি রাতবিরাতে ফোন দিয়ে বিরক্তির মাত্রা। এমনকি রোজার মাসেও ভোররাতে ফোন দিতেন।

এই সময় ৫০০ ছবির এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ’লোকটি ধরা পড়ার পর তার পরিবারের কথা চিন্তা করে তখন খবরটি জানাতে চাইনি। পরে মনে হলো দেশে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা এভাবে বিভিন্ন মানুষদের দ্বারা বিরক্ত, খারাপ মন্তব্যের শিকার হন। এখন এই লোকটা প্রসঙ্গে আর কিছু বলতে চাই না। কিন্তু যারা এভাবে মানুষকে বিরক্ত করে, তারা যেন সতর্ক হয়। তারা যেন বুঝতে পারে দেশে আইন আছে, পুলিশ আছে। সুতরাং, যারা এভাবে মানুষকে নাজেহাল করছ, তারা সতর্ক হও।’

খবরটি পড়ার পরই শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান সার্বক্ষণিক এই অভিনেত্রীর পাশে ছিলেন। তিনি বলেন, ’সেই লোকটাকে অ্যারেস্ট করা হয়েছিল। পরে ডিবি থেকে আপাকে ফোন দিয়ে মামলা করার কথা বলা হয়। আমরা বলেছিলাম, আপা আপনি কী করতে চান? লোকটিও গরিব, ঢাকা মেডিকেলের কর্মচারী। তার বউ, বাবা কান্নাকাটি করতেছিল। পরে আপাকে অভিযুক্ত ব্যক্তি ফোন দিয়েছিল। লোকটির পরিবারের কথা চিন্তা করে আপা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মামলা করেন নাই। মুচলেকা দিয়ে তাকে ডিবি অফিস থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে গুণী শিল্পীদের মধ্যে যারা ছিলেন তারা অনেকেই পরিবার-পরিজনের সাথে চলে গেছেন প্রবাসী এবং সেখানে গিয়ে তারা দিনযাপন করছেন আবার অনেকেই আছেন যারা অভিনয়কে ভুলতে না পেরে এবং কাজের প্রতি তাদের ভালোবাসাকে ধরে রাখতে এখনো অভিনয় এর মধ্যেই থাকতে চান এবং নিজেদেরকে ব্যস্ত রাখতে চান এই অভিনয় এর মধ্যেই। দেশে এমন শিল্পী খুব বেশি না থাকলেও হাতেগোনা কয়েকজন রয়েছে যার মধ্যে একজন হলেন খালেদা আক্তার কল্পনা। ক্যারিয়ারে তাঁর অসংখ্য সিনেমা রয়েছে এবং তার অভিনয় সত্যিই মনোমুগ্ধকর।