৪৪ দিনে ৫০০ বার ধ’র্ষণের শি’কার এই কি’শোরী- করুন ব’র্বরতার গল্প

পৃথিবীতে প্রেম-ভালোবাসার অনেক গল্পই আমাদের জানা। কিছু ব্যর্থতা আবার কিছু প্রাপ্তি এই নিয়েই গড়ে ওঠে ভালোবাসার সম্পর্কগুলো।

একজন পুরুষের অন্য একজন নারীকে ভালো লাগটাই স্বাভাবিক। তার মানে এই নয় যে, সেই নারীরও তাকে ভালো লাগতে হবে। এমনটা একজন

নারীর পছন্দের ক্ষেত্রেও হতে পারে। তবে আজ আমাদের প্রতিবেদনটি এমন একজন নারীর গল্প নিয়ে সাজানো যার ম’র্মান্তিক মৃ’ত্যুর গল্প আজো মানুষের চোখে জল

এনে দেয়। শুধুমাত্র প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে সইতে হয়েছিলো অ’মানবিক অ’ত্যাচার। জুনকো ফুরুতা জাপানের সায়তামা প্রদেশের মিসটোর এর এক উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তেন।

তিনি বেশ সুন্দরী ছিলেন আর এজন্য মানুষ তার প্রতি যে আগ্রহ দেখাত তা তিনি উপভোগ করতেন। তিনি ধূ’মপান ও অ্যা’লকোহল পান করতেন না এমনকি সমসাময়িক অন্যান্য ছাত্র ছাত্রীদের মত ড্রা’গও নিতেন না।

বরং এগুলো যারা করতো তাদেরকে তিনি পাত্তাও দিতেন না। এমন ধরনের এক ছেলে হিরোশি মিয়ানো তাকে পছন্দ করত এবং তাকে ভালোবাসার কথা জানায়। তবে জুনকো হিরোশির প্রস্তাবে রাজি না হয়ে সরাসরি না করে দেয়।

এতে প্র’তিশোধ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হিরোশি। ১৯৮৮ সালের ২৫ শে নভেম্বর, হিরোশিসহ ৪ জন কি’শোর অ’পহরণ করে জুনকোকে। তারা জুনকোকে টোকিওর আতাচিতে এক অ’পহরণকারীর বাবা-মায়ের মালিকানাধীন গৃহে নিয়ে যায়। অ’পহরণকারীরা জুনকোকে

বাধ্য করে তার বাবা মাকে ফোন করে বলতে যে সে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কিছুদিন থাকবে এবং সে কোনো বিপদের মধ্যে নেই। এরপর শুরু হয় জুনকোর উপর অ’মানবিক নি’র্যাতন। তার উপর নি’র্যাতন এতটাই ভ’য়াবহ ছিলো যে, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ কোনোদিন চিন্তা করতে

পারবে না তার স্বগোত্রীয়ের এমন নৈতিক অ’ধঃপতনের কথা। কোনো লেখক ভুলেও তার গল্পের কোনো চরিত্রকে এমন নি’র্যাতনের মুখোমুখি করতে সাহস করবেন না। এমন কিছু মানুষ শুধু দুঃস্বপ্নেই দেখতে পারে, ঘোরতর দুঃ’স্বপ্নে। জুনকোকে ৪৪ দিন আ’টকে রাখা হয় এবং তার উপর অ’মানষিক অ’ত্যাচার করা হয়।

তাকে সর্বক্ষণ উ’লঙ্গ রাখা হত এবং এই ৪৪ দিনে তাকে ১০০ জনের বেশি ব্যাক্তি ৫০০ বারের মত নানা উপায়ে ধ’র্ষণ করে। প্রতিদিন মানুষের কল্পনার বাইরে নানারকম নি’র্যাতন করা হত তার উপর। তাকে প্রতিদিন পে’টানো হত এবং বোতল, কাঁ’চি ও লোহা সহ নানা জিনিস তার যৌ’নাঙ্গে ঢোকানো হত। বাধ্য করা হত জ্যা’ন্ত তেলাপোকা ও নিজের মূ’ত্র পান করার জন্য। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গা পু’ড়িয়ে দেয়া হয়।

তার স্ত’নও কে’টে নেয়া হয়। এছাড়া তাকে ঝু’লিয়ে রেখে বক্সিং ব্যাগ হিসেবে ব্যবহার করা হত। ঘন্টার পর ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দেয়া হত। লা’ইটার দিয়ে চোখের মনি, যৌ’নাঙ্গ ও ক্লা’ইটোরিস পু’ড়িয়ে দেয়া হয়। সুঁ’ই দিয়ে শরীরে অ’সংখ্য ছি’দ্র করা হয়। জুনকো নিঃ’শ্বাস নিতে পারত না কারণ নাকে র’ক্ত জ’মাট বেঁ’ধে গিয়েছিল। বিভিন্ন আভ্যন্তরীণ র’ক্তক্ষরণের জন্য তার পা’কস্থলী খাবার হজম করতে পারত না, ফলে ব’মি করে দিত। কার্পেট নোংরা করার জন্য তাকে আরো মা’রধর করা হত। সূত্রঃ বিডি২৪ লাইভ