লিবিয়ায় মা’নবপাচারের চা’ঞ্চল্যকর ত”থ্য দিলেন হাজী কামাল

লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি নি’হতের ঘ টনায় মা’নব পা’চারকারী চ’ক্রের অ’ন্যতম হোতা কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে গ্রে’ফতার করেছে র‌্যাব। প্রায় ৪’শ’ লোককে অ’বৈধভাবে তিনি বি’দেশে পা’ঠায়।

র‌্যাব বলছে, তিনিই বাংলাদেশ থেকে অ’বৈধভাবে মা’নবপাচারকারীর মূ’ল হোতা। এরসঙ্গে যারা জ’ড়িত তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে র‌্যা’ব।

বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে অ’বৈধ ভাবে ইতালিতে যাওয়া। তারা বিভিন্ন শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্র’লোভন দেখানো হয়। এবং তাদের বিদেশে যাওয়ার পরই বাকি টাকা দেবে। এ ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়।

আমারা এ’কাধিক দা’লাল পেয়েছি। তারা মাদারীপুর, শরিয়রতপুরসহ বিভিন্ন জেলার লোক রয়েছে। তারা প্রথমে বাইরুটে ঢাকা থেকে কলকাতা নেয়া হয়। এই হাজী কামালই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ দিন লাগে বেনগাজীতে যাওয়ার। এ চক্রটি লিবিয়াতে যাওয়ার পরই তারা টাকার জন্য পেশার দেয়া শুরু হয়।

র‌্যাব জানায়, লিবিয়ার ত্রিপোলিতে কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই বেনগাজীতে পৌঁছানোর পরই তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মু’ক্তিপণ আদায় করা হয়। এরপর তাদের ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবারও পরিবারের কাছে ২ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়।  

সেখানে আদের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে বোট চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি গত ১০-১২ বছরে ৪শ’ লোককে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন ১৫-১৬ জন। আমরা পুরো সা’র্কিটের তথ্য পেয়েছি। তাদের বি রুদ্ধে এ অ ভিযান চলতে থাকবে।

গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়েছে। মা’রা যাওয়া ২৬ জনসহ ৩৮ বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অ’পহরণকারী চ’ক্রের হাতে আ’টক ছিলেন। ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশে ওই ৩৮ জন বাংলাদেশ থেকে অ’বৈধ পথে লিবিয়ায় যান।