চীন-ভারত সীমান্তে অ’চলাবস্থা নিয়ে যে প্রস্তাব দিলেন ট্রাম্প..

চীন ও ভারতের মধ্যে হিমালয় সীমান্ত নিয়ে চলমান অ’চলাবস্থা নি রসনে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সেখানে অতি উঁচু অঞ্চলে দুই দেশের সে’না সদস্যরা ক্যাম্প গেড়ে অবস্থান করছেন। তারা পরস্পরের বি রুদ্ধে বি তর্কিত সীমান্ত দিয়ে অ’নুপ্রবেশের অ ভিযোগ করছেন।

এ খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

বুধবার (২৭ মে) এক টুইট পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তাদের ক্র’মবর্ধমান সীমান্ত বি রোধ মী মাংসা কিংবা ম”ধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত। সেই স’ক্ষমতা ও ইচ্ছার কথা আমরা চীন-ভারতকে অ বগত করেছি।

চীনের বেল্ট ও রোড অবকাঠামো প্রকল্পের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওই অঞ্চলে ভারত সড়ক নি র্মাণ শুরু করলে দুদেশের মধ্যে অচলাবস্থার শুরু হয়।

দুই প্রতিবেশী সেখানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে। চীনা ট্রাক ওই এলাকায় সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছে। এতে অ’চলাবস্থা আরও বে ড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, ভারতের লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে উ ত্তেজনা ক্র’মশ বেড়েই চলেছে। এর মধ্যেই লাদাখের কাছে বিমানঘাঁটি স্থা পন করেছে চীন। সেখানে যু’দ্ধবিমানের উপস্থিতিও দেখা গেছে। 

বুধবার (২৭ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, সেনাবাহিনীকে যু’দ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নির্দেশের একদিন পর লাদাখ সীমান্তে এমন দৃ’শ্য দেখা যায়। 

উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত ছবিতে দেখা গেছে, প্যাং’গং লেক থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে চীনা বিমানবন্দরে বড় ধরনের নির্মাণ কাজ চলছে। মূলত সেখানে যু’দ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রাখার ঘাঁটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। 

আরেকটি ছবিতে কাছ থেকেই দেখা যায় গারি গুনসা বিমানবন্দর। সেখানে চারটি যু’দ্ধবিমান পাশাপাশি রয়েছে। চীনের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্স’-এর জে-১১ বা জে-১৬ যু’দ্ধবিমান বলে ধারণা করা হচ্ছে সেগুলোকে। এই মডেলের যু’দ্ধবিমানগুলো রাশিয়ান সুখোই ২৭-এর উন্নত সংস্করণ। এর সঙ্গে ভারতের সুখোই ৩০ এমকেআই’রও মিল রয়েছে।

সীমান্তের কাছে ১৪ হাজার ২২ ফুট উঁচুতে গারি গুনসা বিমানবন্দরটির চীনের জন্য অবস্থানগত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেনা ও যাত্রীবাহী বিমান উড্ডয়নের জন্য ব্যবহৃত হয় এটি। তবে এতটা উঁচু থেকে সেখানে কেবল সীমিত যু’দ্ধ সামগ্রী ও জ্বা’লানি বহন করা সম্ভব।

ভারতীয় বিশ্লেষকদের মতে, ওই এলাকায় মোতায়েন করা ভারতীয় যু’দ্ধবিমানগুলো চীনা যু’দ্ধবিমানের চেয়ে অনেক দীর্ঘ সময় আকাশপথে থাকতে পারবে।
 এসব পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী দফায় দফায় বৈঠক করে  চলেছেন। এরইমধ্যে তিন বাহিনী প্রধানদের নিয়ে বৈঠকও করেছেন।