খুলনার ঈদের জামায়াতের ছবিগুলো দেখে যারা প্র’শ্ন করেছেন উত্তর দিয়েছেন যুবায়ের। ছবি সহ

খুলনার কয়রার ঈদের জামায়াতের ছবিগুলো দেখে অনেকেই প্র’শ্ন করেছেন কয়রায় কি কাদা পানি ছাড়া শুকনো কোন ডা ঙ্গা ছিলনা নামায পড়ার জন্য?

উত্তর দিয়েছেন: ডি এম যুবায়ের ইসলাম

“বিষয়টা আমি ক্লি য়ার করছি আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। এখানে দুইটা জামায়াত হয়েছে একটা পানির মধ্যে আরেকটা ও য়াপদায়।দুই জামায়াতের ছবিই নিচে দেয়া হয়েছে। দুই জায়গার কোনো যায়গায় সিজদাহ দেওয়ার প রিস্থিতি ছিলো না এবং ওয়াপদার যে অবস্থা তাতে সেখানে এতগুলো লোক সংকুলানের মত অবস্থা ছিলোনা।

বর্ষাকালে কিন্তু কৃষক চাইলে বাড়িতে এসে সালাত আদায় করতে পারে অথচ জরুরত হিসেবে মাঠে পড়তে বাধ্য হয় অনেক সময়। আমরাও এমন পরিস্থিতির শি’কার ছিলাম। যখন জোয়ার চলে এসেছে কাজ শেষ করতে আমরা বাধ্য হয়েছি তখন বেলা ১১.০০ টা বাজে।সে পরিস্থিতিতে আমাদের কি করার ছিলো? তিন থেকে চার হাজার লোক কি নতুন ঈদগাহ তৈরী করে সেখানে ঈদের সালাত আদায় করবে?

জনপ্রতিনিধিদের মনে কি ছিলো জানিনা তবে সাধারণ যে জনগন ছিলো এখানে তারা ভাইরাল বাঙ্গালী না অধিকাংশই যারা গিয়েছেন হিন্দুরা বাদে ধর্মপ্রাণ মানুষগুলোই গিয়েছিলেন। আশা করি উত্তর পেয়েছেন।

সাপে যারে দংশন করে সেই বোঝে য’ন্ত্রণা! দুর থেকে অনেক লম্বা লম্বা কথা বলা যায় কিন্তু বাস্তবতা খুবই ক’ঠিন। কয়রায় দাওয়াত রইলো সবাইকে স্ব’চক্ষে অবলোকনের জন্য এখানের মানুষগুলো কি অবস্থায় আছে!”