বিমানটি বি’ধ্বস্ত হওয়ার আগে চিৎকার করে যা বলেছিলেন পাইলট

পা’কিস্তানের করাচিতে ১০০ জনের মতো আরোহী নিয়ে যাত্রীবাহী বিমান বিধবস্ত হয়েছে। করাচি বিমানবন্দরের কাছে জিন্না গার্ডেন

এলাকার মডেল কলোনিতে বিমানটি বি’ধ্বস্ত হওয়ায় চারটি বাড়িও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এতে ১০৭ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে পা’কিস্তান।

এছাড়া আ’হত হয়েছেন আরও অনেকে। পাইলটের সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) শেষ মুহূর্তের কথোপকথন থেকে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক গোলযোগের কারণেই বি’ধ্বস্ত হয়েছে বিমানটি।

ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে তাদের সেই কথোপকথনের রেকর্ড। জানা গেছে, অবতরণের সময় প্লেনটির দু’টি ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে নির্দিষ্ট কিছু গিয়ার না খোলায় সেটি রানওয়েতে না নেমে বিমানবন্দরের নিকটবর্তী আবাসিক

এলাকায় একটি মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে আ’গুন ধরে যায় প্লেনটিতে। পা’কিস্তানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে এ৩২০ এয়ারবাসের পাইলটের কথার যে রেকর্ডিং পাওয়া গেছে, তাতে তাকে ‘মে ডে, মে ডে!

দুটো ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেল!’ বলে চি’ৎকার করতে শোনা গেছে। ‘মে ডে’ হচ্ছে অ্যাভিয়েশনের একটি কোড। প্লেন চালানোর সময় বড় বিপদের মুখে এই কোড ব্যবহার করেন পাইলটরা। এদিনও প্লেন বি’ধ্বস্তের আগে তেমনই বার্তা গিয়েছিল এটিসি’তে।

পা’কিস্তানি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত পিআইএ’র পাইলট ও এটিসির শেষ মুহূর্তের কথোপকথন তুলে ধ’রা হলো- পাইলট: পিকে ৮৩০৩ অ্যাপ্রোচ। এটিসি: জি স্যার। পাইলট: আম’রা বাম দিকে যাব, তাই তো? এটিসি: ঠিক তাই। পাইলট: আম’রা যাচ্ছি… দু’টো ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেল!

এটিসি: বেলি ল্যান্ডিং করা হচ্ছে তো? পাইলট: (গলার স্বর অস্পষ্ট) এটিসি: রানওয়ে ২ আর ৫ রেডি আছে! পাইলট: রজার। পাইলট: স্যার! মে ডে, মে ডে, মে ডে, পা’কিস্তান ৮৩০৩! এটিসি: পা’কিস্তান ৮৩০৩, রজার স্যার। দুটো রানওয়েই রেডি আছে।