এ’তিম কিশো’রী পা’চারকারী না’রী।

রিয়েল সিলেটঃ একটি ১৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি এ’তিম কিশো’রীকে সংযুক্ত আ’রব আ’মিরাতে পা’চার ও যৌ’ন কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। পুলিশ ফাঁ’দে ফেলে তাকে উ’দ্ধার করেছে। দুবাইয়ের একটি আদালতে গত বুধবার এ সংক্রা’ন্ত মা’মলার শুনানি শুরু হয়েছে।

ওই এ’তিম মেয়েটিকে অপর এক বাংলাদেশি না’রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, দুবাই গেলে তাকে গৃ’হ পরিচারিকার কাজ দেয়া হবে। কিন্তু মেয়েটি দুবাই গেলে তাকে যৌ’ন ব্য’বসায় কাজ করতে বা’ধ্য করা হয়েছিল।

২০১৯ সালের অক্টোবরে পুলিশ গো’পন সূত্রে খবর পায় যে, আল রেফায়ার আবাসিক অ্যা’পার্টমেন্টে এক মেয়েকে যৌ’নকর্মী হিসেবে কাজ করানো হচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তারা মেয়েটিকে উ’দ্ধারের জন্য অ্যা’পার্টমেন্টে অ’ভিযান চালায়।

আমার দেশের না’রীটি আমাকে বলেছিল যে, আমি গৃ’হ পরিচারিকা হিসেবে কাজ করব, ভু’ক্তভো’গী মেয়েটি বলেছিলো। দুইজন স’ন্দেহভাজন ব্যক্তি আমাকে দু’বাই বিমানবন্দরে স্বাগত জানায়।

তারা আমাকে একটি অ্যা’পার্টমেন্টে রেখেছিল। পরে তারা আমাকে বলেছিল যে, আমি প’তিতা হিসেবে কাজ করবো। আমি তা করতে অ’স্বীকার করলাম এবং সে আমাকে চ’ড় মা’রলো। একজন আমাকে ধ’র্ষণ করেছিল।

তারা আমাকে প্রতিদিন পাঁচজন গ্রা’হকের সঙ্গে অ’বৈধ যৌ’ন সম্পর্ক স্থাপন করতে বা’ধ্য করেছিল, ভু’ক্তভো’গী মেয়েটি আরো জানায়পুলিশ এই ঘটনায় একজন ৩৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি না’রী এবং ২২ ও ২৫ বছর বয়সী দু’জন বাংলাদেশিকে গ্রে’প্তার করে। তাদের বি’রুদ্ধে মা’নব পা’চারের অ’ভিযোগ আনা হয়। দু’বাই পুলিশ পরে আরো এক বাংলাদেশি আ’সামিকে গ্রে’প্তার করে। তার বি’রুদ্ধে ওই তিনজনকে ম’দতদানের অ’ভিযোগ আনা হয়।

তে একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরা খবর পেয়েছি যে, এই দলটি মেয়েটিকে দেশ থেকে পা’চার করেছিল এবং তাকে যৌ’নকর্মে ব্যবহার করেছিল। পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, একজন পুলিশ গ্রা’হক সেজে অ্যা’পার্টমেন্টে প্রবেশ করেছিল। এবং পরে আমরা অ্যা’পার্টমেন্টে অ’ভিযান চালিয়ে মেয়েটিকে উ’দ্ধারসহ পাঁচজন পুরুষ এবং এক না’রীকে আ’টক করি।

দুবাইয়ের পাবলিক প্র’সিকিউশন না’রী ও দুই আ’সামিকে মা’নব পা’চারের জন্য অ’ভিযুক্ত করেছে। অপর তিন আ’সামির বি’রুদ্ধে তাদেরকে সহায়তা করার অ’ভিযোগ আনা হয়েছিল। আ’সামিপক্ষ যাতে তাদের জ’বাব প্রস্তুত করতে পারে সেজন্য বি’চারক শুনানি স্থগিত করেছেন। বিচার চলাকালে তারা পুলিশি হে’ফাজতে থাকবে।