মোদির আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান!

রিয়েল সিলেটঃ সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন এসসিও-এর সম্মেলনে পাক প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে বৃহস্পতবারই জানিয়েছিল নয়াদিল্লি।

তবে সেই আমন্ত্রণ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান না করে পরিবর্ত হিসেবে ইমরান তার পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে পাঠাতে পারেন বলে পাক প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা আইএএনএস।

এ বছর এসসিও সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত। সম্মেলনের রীতি মেনে আটটি সদস্য দেশ ছাড়াও পর্যবেক্ষক ও আলোচক দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে বৃহস্পতিবার জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার।

এবার সেই ইঙ্গিতই দিলেন পাক প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্তা আইএনএস-কে বলেন, ‘বা’লাকোটের পর ভারত-পাক সম্পর্কের যে অবনতি হয়েছে, তার পরে ভারত সফরে গেলে ইমরান খানের পক্ষে তার যথার্থতা ব্যাখ্যা করা কঠিন।

খুব সম্ভবত, তিনি তার পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে পাঠাবেন। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, তাতে নিমন্ত্রণ রক্ষাও হবে আবার নিজে এলে দেশের অভ্যন্তরে যে প্রশ্নের মুখে পড়তেন, তাও এড়াতে পারবেন ইমরান খান। ভারতীয় উপমহাদেশের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতি বিষয়ক আট সদস্যের সংগঠন এসসিও-র নেতৃত্বে রয়েছে চীন।

সদস্য দেশ হিসেবে ২০১৭ সালে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। চীন, পাকিস্তান ও ভারত ছাড়াও কা’জাখস্তান, কি’রঘিজস্তান, রা’শিয়া, তা’জিকিস্তান ও উ’জবেকিস্তান এই সংগঠনের সদস্য দেশ। সংগঠনে রয়েছে চার পর্যবেক্ষক দেশ— আ’ফগানিস্তান, বে’লারুশ, ই’রান ও ম’ঙ্গোলিয়া। এছাড়া আলোচনার অংশীদার ৬টি দেশ হলো- আ’জারবাইজান, আ’র্মেনিয়া, কম্বো’ডিয়া, নেপাল, তু’রস্ক ও শ্রী’লঙ্কা।