সিলেট এয়ারপোর্টের ভিতরে চু’রি এবং কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতা।

রিয়েল সিলেটঃ গতপরশু ০১ জানুয়ারি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতরের ঘটনা। বোডিং পাসের পর নির্ধারিত চেকিংয়ে আমার মোবাইল, মানিব্যাগ এবং হাতের ব্যাগ স্ক্যানিং মেশিনে রেখে আমি সামনের দিকে যাচ্ছিলাম।

পেছনে তাকাতেই দেখলাম একটা মেয়ে আনসার সদস্য আমার মানিব্যাগ হাতে নিয়েছে এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আবার রেখে দিছে। চেকিং শেষে এপাশ থেকে ওপাশে যখন জিনিসগুলো হাতে ফিরে পেলাম, তখন মানিব্যাগ চেক করে দেখি ৭০০ দিরহাম উদাও!

যা বাংলাদেশী টাকায় ১৭০০০ হাজার টাকা হবে। মূহুর্তেই এখানকার কর্মকর্তাদের বললাম, এই আনসার মেয়েটা আমার টাকা চু’রি করেছে, এখনই সার্চ করলে দেখতে পারবেন। তারা বললো; আমার নাকি কোথাও ভুল হচ্ছে, এই মেয়েটা এমন করতে পারে না।

উপর মহলের নির্দেশ ছাড়া নাকি মেয়েটিকে চেক করা যাবে না। তাছাড়া আমি মেয়েটার উপর অ’ভিযোগ করায় আমার ফ্লাইট বাতিল কিংবা শা’স্তিও হতে পারে বলে হু’মকি দিলেন ২/১ জন কর্মকর্তা। আমি আমার অনড় অবস্থানে থেকে সিসি ক্যামেরা চেক করে দেখাতে বললাম।

প্রথমে না করে, পরে দুজন আনসার সদস্য নিয়ে গেলেন আমায় সিসি ক্যামেরা রুমে। তারা মালামাল রিসিভের সাইডের ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ আমাকে দেখালো, কিন্তু যে পাশের ক্যামেরার সামনে চু’রি হয়েছে সেটা আমাকে দেখালো না।

তাদেরকে সেই ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখাতে বললে, তারা আমাকে বলে ওই ক্যামেরা তাদের আন্ডারে নয়, এই ক্যামেরা চেক করতে হলে উপরের নির্দেশ ছাড়া কুনো ভাবেই দেখানো যাবে না। আমার সময়ও কমে গেছে, ফ্লাইট এর টাইম একেবারে নিকটে, কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না।

পরক্ষণে তারা বললো; আপনার কোন আত্মীয়ের নাম্বার দেন, আমরা টাকাটা পরবর্তীতে পেলে পৌছে দেবো। আজ দুইদিন গত হলো। এখনো তাদের কাছ থেকে কোন যোগাযোগ করা হয়নি। আমার মানিব্যাগ চু’রি করা আনসার সদস্যটির নাম পারভীন, বয়স আনুমানিক ২৪/২৫ হবে।

আর দুইজন আনসার কর্মকর্তা হচ্ছেন এস.এম. জহির এবং হারুন। দুঃ’খ লাগে কেবল এটা ভেবে যে, নিজের চিরচেনা সিলেট এয়ারপোর্টে দিনে-দুপুরে যাদেরকে সরকার জনগণের রক্ষণাবেক্ষণের নিয়োগ করলো, তারাই চু’রির মতো জ’ঘণ্য কাজ করতে পারলো?

আর কেমন করে তার সিনিয়ররা চোরের পক্ষে সাফাই গেয়ে গেলো? আমি আইনী প্রক্রিয়ায় এর শেষ দেখতে চাই। জাতির বিবেক সাংবাদিক সমাজসহ সকলের পরামর্শ চাই। পোস্টের সাথে আমি আমার সিলেট-ঢাকা-দুবাই টিকিটের এবং বিমানের বোডিং পাসের ছবি সংযুক্ত করে দিলাম। দয়া করে আপনারা সবাই পোস্টটি শেয়ার করুন। মোঃ মাছুম উদ্দিন (দুবাই প্রবাসী) ব্রাক্ষণগ্রাম, কানাইঘাট, সিলেট। পোস্ট লিংক: https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1175351762666950&id=100005764124575