তিনি জানান প্রধানমন্ত্রীর ওপর এমনিতে তার কোনো রাগ নেই। তিনি শুধু দেখাতে চান দেশে কৃষকদের প্রকৃত অবস্থাটা কি । কষ্টে ফলানো ১৯ টন আলু বিক্রি করে সব শেষে লাভ পেয়েছিলেন মাত্র ৪৯০ রুপি! আর সেই টাকা পুরোটাই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদির নামে মানি অর্ডার করেছেন দেশটির উত্তর প্রদেশের আগ্রার এক কৃষক। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, চাষের জামির বেশিরভাগটাতেই আলু চাষ করেছিলেন প্রদীপ শর্মা নামের ওই কৃষক। ফলনও ভালো হয়েছিল।

আলু বিক্রি করে ৯৪ হাজার ৬৭৭ রুপি পেয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে ৪২ হাজার ৩০ রুপি মোটর ভাড়া, ৯৯৮ আনলোডিং চার্জ ৩৭৯০ দালাল খরচ, ১০০ রুপি ড্রাফট কমিশন এবং বাছাই করতে ৪০০ রুপি খরচ হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৪৮ হাজার ১৮৭ খরচ হয় তার। বেঁচে ছিল ৪৬ হাজার ৪৯০ টাকা। এরপর কোল্ড স্টোরেজে প্রত্যেক প্যাকেটের জন্য ১২৫ রুপি অর্থাৎ ৪৬ হাজার রুপি দিতে হয় কোল্ড স্টোরেজের মালিককে। এরপর আয় হিসেবে তার কাছে ছিল মাত্র ৪৯০ রুপি। রাগে সেই পুরো অর্থই মোদিকে পাঠিয়ে দিয়েছেন ওই কৃষক।

তিনি আরো জানান প্রধানমন্ত্রীর ওপর এমনিতে তার কোনো রাগ নেই। তিনি শুধু দেখাতে চান দেশে কৃষকদের প্রকৃত অবস্থাটা কি। প্রধানমন্ত্রী কি প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন এবং বাস্তবে কী হচ্ছে। কৃষক ৭০০-৮০০ রুপি খরচ করে এক কুইন্টাল আলু ফলান। অথচ সেই আলুর ন্যূনতম মূল্য মাত্র ৫৯০ রুপি। এর আগে মহারাষ্ট্রের এক পেয়াজ চাষি একই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। ৭৫০ কেজি পেয়াজ বিক্রি করে তিনি পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৪ রুপি। পুরোটাই তিনি পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে।