কক্সবাজার জেলায় আশ্রয়কৃত রোহিঙ্গা ও গরীবদের বিতরণের জন্য সৌদি সরকার কতৃক পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দুম্বার মাংস সাহায্য স্বরূপ প্রদান কর হয়।সেই কাঙ্ক্ষিত দুম্বার মাংস জেলার প্রথম সারির কিছু নেতা এবং দ্বিতীয় সারির কিছু নেতারা ও গ্রাম্য কিছু অসাধু সংবাদ প্রতিনিধিরা মিলে ভাগ-বাটোয়ারা করে নিজেরা ভক্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফলে উক্ত কাঙ্খিত দুম্বার মাংস প্রকৃত গরীব-দুঃখী মানুষের মাঝে বিতরণ করা সম্ভব হয়নি,এমনকি জেলার সরকারী শিশু পরিবারের এতিমদেরও দেওয়া হয়নি। এতে জেলার সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সৌদি সরকার কর্তৃক অসহায়দের পাওয়া দুম্বার মাংসগুলা স্থানীয় নেতারা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও সংবাদকর্মীরাও তাদের হাতেহাত মিলিয়ে এসব গরিবের হক মেরে দিতে খানিকটা ভাবেননি!
মানবতা কতোটা হারিয়ে গেলে এমন হতে পারে এসব কথাই কানাঘুষা সচেতন মহলে।

এছাড়াও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও এনিয়ে বেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক ও ওইসব নেতাদের তিরস্কার করে লেখালেখির জোর মাত্রাহীন। অনেকের মন্তব্য এসব বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যথাযথ প্রদক্ষে গ্রহণ করে তাদের আইনের আওতাধীন করে উপযুক্ত শাস্তি প্রধানের জোর দাবি জানাতে দেখা যায় অনেকের ফেইসবুক প্রোফাইলে।

উল্যেখ্য,হজ্জ্বের সময় হাজীদের দেওয়া কুরবানীর গরীব ও মিসংকিনে ভাগের মাংস সৌদি সরকারের কাছে দিয়ে দেয় সৌদি সরকার সারা বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসহায় ও গরীব মানুষের কাছে সদকা হিসেবে এই মাংস বিতরণ করে। তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশেও দিয়েছে শুধুমাত্র বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা, অসহায় একদম নেহায়ত গরীবদের জন্য,এই মাংস তাদেরই প্রাপ্য ছিল,কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের শহরে হাই প্রোফাইল সব সাংবাদিকের ঘরে ঘরে দুম্বার মাংস রান্না হয়েছে। তাদের যদি বিন্দুমাত্র লজ্জা থাকতো তাহলে কোনদিন গরীব অসহায়দের হক লুট করে খেতোনা। এসব কথাই সচেতন মহল থেকে পরিলক্ষিত।