বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী বলেছেন, প্রবাসীরা রেমিটেন্স পাঠিয়ে দেশের চাকা সচল রাখেন, কিন্তু বাংলাদেশের সবকটি বিমানবন্দরে তাদেরই সবচেয়ে বেশি হেনস্তার শিকার হতে হয়। এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন ও বিমানের কর্মকর্তাদের নিম্নমানের আচরণে প্রবাসীদের অনেক ঝামেলাও পোহাতে হয়। তবে আমরা এয়ারপোর্ট টার্মিনাল-৩ তৈরির কাজ হাতে নিয়েছি। সেটি হয়ে গেলে প্রবাসীদের বিড়ম্বনার দিন শেষ হয়ে যাবে।

 

 

স্থানীয় সময় বুধবার রাতে আমিরাতের শারজায় হবিগঞ্জ ইউনিটির এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

 

সংযুক্ত আরব আমিরাত রুটে প্রতিদিন বাংলাদেশ বিমানের মাত্র একটি ফ্লাইট যাতায়াত করায় টিকেট পেতে প্রবাসীদের হিমশিম খেতে হয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমিরাত প্রবাসীদের যাতায়াত সুযোগ সুবিধা ও সেবার মান বাড়াতে আগামী জুন মাস থেকে দুবাই রুটে যুক্ত হবে বাংলাদেশ বিমানের নতুন ফ্লাইট ড্রিমলাইনার।

 

হবিগঞ্জ ইউনিটি সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী তৈয়ব আলী তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ এমরান উল্লাহ ও সিনিয়র সহসভাপতি সালেহ আহমদের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা রাখাল কুমার গোফ, এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান সিআইপি মাহতাবুর রহমান নাছির ও শামীমা জাফরিন মাহবুবসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।