দলের বিপর্যয়ের সময় ফর্মে ফিরলেন সৌম্য সরকার। তামিম ইকবালের সাথে যৌথভাবে দ্রুততম সেঞ্চুরি করার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।

৩৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিলেন সৌম্য সরকার। আজ লাঞ্চে যাওয়ার আগেই তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের যৌথভাবে দ্রুততম সেঞ্চুরি। ৯৪ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন সৌম্য সরকার। শতক পূর্ণ করতে তিনি ১২টি চার ও ৫টি ছয় মারেন। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগেই অপরাজিত থেকে সংগ্রহ করেন  ১২৩ রান।

তামিম ইকবালের করা ৯ বছর আগের রেকর্ডে আজ ভাগ বসিয়েছেন সৌম্য সরকার। এর আগে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিমও।

ট্রেন্ট বোল্ট ও নেইল ওয়েগনারের বল সামাল দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েছেন সৌম্য। দিনের শুরুতেই দুই কিউই পেসার শর্ট বল, ক্রমাগত আক্রমণের পন্থা বদলেও সফল হননি। সব প্রতিকূল পার হয়েই টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন সৌম্য।

তবে সৌম্য কিছুটা বেসামালও ছিলেন সৌম্য। ওয়েগনারের বলে দুইবার ৬৭ ও ৭৮ রানে আউট হতে হতে বেঁচে গেছেন তিনি। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগেই ১৬টি চারের ৮টি এবং ৬টি ছয়ের ৫টিই তিনি খেলেছেন স্কয়ার লেগে। দলের দুঃস্বময়ে সৌম্যের এই ইনিংসের তাৎপর্য পুরোপুরি বর্ণনা করে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশকে বড় হারের লজ্জার হাত থেকেই বাঁচাচ্ছে তার ঔ ইনিংস।

প্রথম সেশনে ১৩৬ রান তুলে বাংলাদেশ। যার সৌম্যের রানই ছিল ৮৪। অপর প্রান্তে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও ভালো খেলছেন। অর্ধশতক তুলে নিয়ে তিনিও শতকের আশা জাগাচ্ছেন। শেষ খরব পাওয়া পর্যন্ত দুইশ রান ছাড়িয়েছেন সৌম্য-রিয়াদের পার্টনারশিপ।

বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম তিন টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ড:১. তামিম ইকবাল- ৯৪ বল- বিপক্ষ ইংল্যান্ড, ২০১০।
২. সৌম্য সরকার- ৯৪ বল- বিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, ২০১৯।
৩. মমিনুল হক- ৯৬ বল- বিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, ২০১৮।