পার্কের ফুলের বাগান, বসার জন্য পাকা বেঞ্চ, আর বিভিন্ন রকমের গাছ। এখানে-সেখানে দলে দলে তরুণ-তরুণীরা, স্কুলের ড্রেস পড়া ছেলে-মেয়েরা নিশ্চিন্তে অসামাজিকতা ও অশ্নীলতার পথ বেছে নেয়ায়, বিষিয়ে উঠেছিলেন সাধারণ দর্শনার্থীরা। তবে প্রকাশ্য অসামাজিকতার এ বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ না করে নিজেকে গুটিয়ে নেই অনেকে।

স্কুল, কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরা সকাল থেকে শুরু করে শেষ বিকেল পর্যন্ত পার্কের মধ্যে নানান অশ্লীল কাজে লিপ্ত হয়ে থাকে। কেউ-কেউ স্কুল কলেজ ফাঁকি দিয়ে পার্কে বসে সময় কাঁটাচ্ছে। আবার কেউ ছাতার নিচেই শিক্ষার্থীরা অশ্লীলতার নিরাপদ স্থান হিসেবে বেঁচে নেয়।

পার্কের ভিতরে ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ করলে অনেক ছেলে মেয়ে স্থান ত্যাগ করে। পার্কের ভিতরে স্থানীয় কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী (১৭) তার সাথে কথা বলে জানা যায়, শুধু আমরা নই-আমাদের মত অনেক শিক্ষাথী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে এখানে আসে।

ফলে প্রতিনিয়তই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতো পরিবার-পরিজন নিয়ে নির্মল আনন্দের পরশ পেতে হয় এই সব পার্কে আসা মানুষজনকে। অনেক পরিবার এসব পার্কে লজ্জিত হয়ে চলে যায়। শুধু তাই নয়, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে নিয়মিতই উদ্যানে আসা কাঁধে ব্যাগ আর ড্রেস পরিহিত শিক্ষার্থীরা। ড্রেসে পড়া অবস্থায় মেলামেশা করছে।

পার্কের পাশে থাকা স্থানীয়রা ও দর্শনার্থীরা জানান, এসব অসামাজিক কাজ এখানে প্রায় হয়ে থাকে। তবে তারা জানান পার্কের কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসন যথাযথ ভাবে পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে এসব শিক্ষার্থীর অশ্নীল আর অসামাজিক কাজ বন্ধ করা সম্ভব হবে।