ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি সীমান্তে বন্দর নির্মিত না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। যদিও বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তে স্থলবন্দর নির্মিত হয়েছে আগেই। এ বন্দরের সুফল ভারত ভোগ করলেও বাংলাদেশ ভারত থেকে কোনো সুফল পাচ্ছে না। এতে ক্ষোভ বিরাজ করছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের মাঝে।

প্রায় একশো কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের স্থলবন্দরের কাজ শেষ হয়ে ইতিমধ্যে উদ্বোধনও হয়ে গেছে। কিন্তু এখনও ভারতের স্থলবন্দরটি নির্মিত হয়নি। মাত্র কিছুদিন আগে ভারতের স্থরবন্দর নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে।

২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী তামাবিল স্থলবন্দর উদ্বোধন করেন। একই সময় ভারতের ডাউকিতেও চালুর কথা বন্দর। কিন্তু হয়েছে উল্টো। ভারতে বন্দর নির্মিত না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

তামাবিল কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ সাবেক সভাপতি মো. গোলাম নবী ভূইয়া বলেন, ‘ভারতেরটা রেডি হয়নি। আমরা তো চেয়েছিলাম একই সাথে কাজ শেষ হবে।’

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে এক তরফাভাবে বাংলাদেশের বন্দরের সুবিধা নিচ্ছে ভারত। কিন্তু বঞ্চিত হচ্ছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।

ভারতীয় বন্দর কবে চালু হতে পারে সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই তামাবিল বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে জানিয়েছেন তামাবিল স্থলবন্দরের ট্রাফিক পরিদর্শক লুৎফুর রহমান।

বন্দর নির্মাণের পর ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। কিন্তু ভারতের সড়কের অবস্থা নাজুক বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। তাদের সড়ক প্রয়োজনের চেয়েও ছোট।