মেয়েটার নাম পাখি গ্রামের বাড়ী কুষ্টিয়া জেলায়। ঢাকার বাসা মিরপুরে। মেয়েটা আমার গানের ভক্ত। মেয়েটা আমাকে ৮ মাসে বেশ কয়েকবার ফোন করেছে আমাকে একবার সরাসরি দেখবে বলে।

কিন্তু সময় এবং ব্যস্ততার কারনে দেখা হয়নি। তবে লাষ্ট ২ দিন আগে ফোন করে খুব করে অনুরোধ করলো,বললো ইমন ভাই। আমি আপনার অনেক সময় নষ্ট করবোনা। জাষ্ট ৫ মিনিট সময় দিবেন আমাকে। আপনার সাথে একটু দেখা করার সুযোগ দিন। প্লিজ ভাইয়া প্লিজ। আমি বললাম ঠিক আছে। আপনি যদি এক ঘন্টার মধ্যে রামপুরা ওয়াপদা রোড আসতে পারেন, তাহলে দেখা হবে।

এটা বলার কারন হচ্ছে আমার রেকর্ডিং ছিলো। যাহোক- মেয়েটা ঠিক ৬৫ মিনিটের মাথায় চলে আসলো আমার অফিসে। আমি বললাম কেমন আছেন? মেয়েটা শুধু আমার মুখের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ায়ে বোঝালো যে ভাল আছি। বসতে বললাম, বসলো।

এরপর জিজ্ঞেস করলাম আমাকে কিছু বলবেন? বললো ভাইয়া আমাকে আপনি করে বলবেননা,আমি আপনার ছোট। তাই আমাকে আপনি তুমি করে বললে খুশি হবো। আমি বললাম ওকে বলছি।

অনেক কথা হলো, এবার বিদায় দিবো,আমি বিদায় নেবো। ঠিক বিদায়ের মুহুর্তে মেয়েটা আমাকে বলছে। ভাইয়া আমার একটা রিকুয়েস্ট আছে আপনার কাছে। আমি বললাম বলো কি? মেয়েটা বললো ভাইয়া,আমি আপনার কন্ঠে সরাসরি একটা গান শুনতে চাই। প্লিজ না করবেননা ভাইয়া।

আমি বললাম ওকে। সঙ্গে সঙ্গে বলছে ভাইয়া, পাখি ৪ টা শোনাবেন প্লিজ। আমি ওকে বলেই, চোখ বন্ধ করে মেয়েটাকে গানটি শোনাচ্ছি। গানটি শেষ করার পর যা দেখলাম এবং শুনলাম। এবার আপনারা ভিডিওটা দেখুন এবং তার কথাগুলো শুনুন।

সব বুঝতে পারবেন। মেয়েটার শেষ ইচ্ছে হলো। তার লেখা একটা গান আমাকে গাইতে হবে। এবং সেই গানটির মডেলও মেয়েটা হতে চায়। আমি কথাও দিয়ে দিয়েছি। মেয়েটার লেখা গান গাইবো আমি। মডেল ও বানাবো আমার।ধন্যবাদ সবাইকে।

ভালবাসা বুঝি এমনি হয়
ছেলে এমন ভাগ্যই বা ক’জনের হয়।