আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কুয়েতে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। শুক্রবার রাতে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার কুয়েতে বকেয়া বেতন ও আকামা সমস্যার সমাধানে বিক্ষোভ করে বাংলাদেশি কুয়েত প্রবাসী শ্রমিকরা। সেখান থেকে কিছু শ্রমিক দূতাবাসে ঢুকে ভাঙচুরও করে। এ বিষয়টি জানার সাথে সাথে পদক্ষেপ নেন বাংলাদেশ সরকারের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন ইতিমধ্যে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে দ্রুত মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। লেসকো কোম্পানির মালিককে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ডেকে পাঠানো হয় এবং কোম্পানি ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বেতন পরিশোধ ও আকামা নবায়নসহ সকল সমস্যা সমাধানে রাজি হয়েছে।

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার কুয়েতের লেসকো কোম্পানিতে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকদের হামলায় কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলরসহ তিনজন আহত হন। স্থানীয় পুলিশ আসার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং কিছু সংখ্যক শ্রমিককে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি শান্ত রয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক। সংঘটিত ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক।

এ ধরণের পরিস্থিতির পূনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বিদেশে বাংলাদেশের সকল দূতাবাস ও প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

উল্লেখ্য, কুয়েতের বাংলাদেশি কয়েকশ শ্রমিক বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বকেয়া বেতনের দাবিতে দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে একদল শ্রমিক কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঢুকে ভাঙচুর চালায়।

কুয়েতের লেসকো কোম্পানিতে প্রায় তিনশ বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছিলেন। তবে তিন মাস ধরে তারা বেতন পাচ্ছিলেন না। বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকরা সমাবেশ থেকেই দূতাবাসে হামলা চালায়।