বরগুনায় রাস্তায় ফেলে প্রকাশ্যে কু পিয়ে রিফাত শরীফকে হ`ত্যাকা*ণ্ডের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা ওরফে মিন্নি জড়িত ছিলেন। হ*ত্যাকা*ণ্ডের আগের দিন তিনি নয়ন বন্ডের বাড়িতে গিয়ে এ হ ত্যার নীলনকশায় অংশ নেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বুধবার আদালতকে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রিফাত শরীফ হ ত্যার ঘটনায় মূল নায়ক নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর সঙ্গে মিন্নি পরিকল্পিতভাবে এ হ ত্যাকা ণ্ড ঘটান। বুধবার বিকালে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে হাজির করা হয় মিন্নিকে। পুলিশ মিন্নির সাত দিনের রিমান্ড দাবি করেন।

হুমায়ুন কবির রিমান্ড আবেদনে জানিয়েছেন, ঘটনার আগের দিন (২৫ জুন) মিন্নি নয়ন বন্ডদের বাড়িতে গিয়ে এ হ ত্যার পরিকল্পনা করে। এ হ*ত্যাকা ণ্ডের ৬ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে  মিন্নির সংশ্লিষ্টতার কথা জানায়।

তিনি বলেন, ভিডিও ফুটেজে মিন্নি রিফাত শরীফকে রক্ষার যে চেষ্টা করে, সেখানে সে নয়নকে জাপটে ধরলেও তাকে (মিন্নি) কোনো আঘাত করেনি। এটি ছিল লোক দেখানো। ঘটনার আগের দিন এবং ঘটনার পূর্ব মুহূর্তে নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির মুঠোফোনের আলাপ-আলোচনা থেকে  জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, হ*ত্যাকা*ণ্ডের আগের দিন প্রধান আসামি নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির ফোনালাপের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয় নিশ্চিত হতে এবং মামলাটির অধিকতর তদন্তের জন্য মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এজন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করার আবেদন জানান তিনি। পরে আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী মিন্নির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবির রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, রিফাত শরীফ হ*ত্যাকা*ণ্ডে মিন্নির জড়িত থাকার বিষয়ে বেশ কিছু তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন। এ ছাড়া এজাহারভুক্ত একজন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে মিন্নি এ হ ত্যা পরিকল্পনায় ছিল বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

রিফাত শরীফ হ ত্যা মামলার ১ নম্বর সাক্ষী ও নি হত ব্যক্তির স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। বুধবার তাকে গ্রেফতার করে বরগুনার পুলিশ। বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তায় ২৬ জুন সকাল ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কু পিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। বিকাল ৪টায় বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃ ত্যু হয়।